Monday, July 20, 2020

সুইচে দরজা খুললেও লিফট আসেনি, পা বাড়াতেই পড়ে গিয়ে নারীর মৃত্যু

সুইচে দরজা খুললেও লিফট আসেনি, পা বাড়াতেই পড়ে গিয়ে নারীর মৃত্যু


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বাংলার সংবাদঃ
 রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা। ওই বাসার একজন বাসিন্দা সালমা পারভিন (৬৭)। ছাদ থেকে নিচে নামার জন্য লিফটের সুইচে চাপ দেন তিনি। একটু পর দরজাও খুলে যায়। কিন্তু প্রত্যাশিত লিফট আসে না। ওই নারী যথারীতি খোলা দরজা দিয়ে পা গলিয়ে দিতেই ঘটে অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা। নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়ে এক পর্যায়ে মারা যান তিনি।

শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত ওই নারীর স্বামী মো. শাহজাহান সাবেক অতিরিক্ত সচিব।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা বলেন, ‘সন্ধ্যায় ওই নারী বাসার ছাদ থেকে নিচে নামার জন্য বাসার লিফটের সুইচ দেয়। লিফটের দরজা ফাঁক হয়ে গেলেও লিফট আসেনি। তিনি না দেখেই ভিতরে পা দেন। সঙ্গে সঙ্গে লিফটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

Friday, July 17, 2020

দোহার কুসুমহাটি ইউনিয়নে জনগনের পাশে থাকতে চায়, মহি উদ্দিন মহি মাদবর

দোহার কুসুমহাটি ইউনিয়নে জনগনের পাশে থাকতে চায়, মহি উদ্দিন মহি মাদবর


বাংলার সংবাদঃ
ঢাকার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের জনগনের পাশে থেকে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করছেন। বাস্তা গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক মহি উদ্দিন মহি মাদবর। গরিব অসহায় মানুষের ডাকে কখনো না বলেনি। কোন মানুষ বিপদে পড়লে ঝাপিয়ে পড়েন। তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, কুসুমহাটি ইউনিয়নের জনগণের মনোনীত একজন চেয়াম্যান প্রার্থী হিসেবে তাকে নির্বাচন করতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। উল্লেখ্য যে, চলমান
করোনা মহামারীতে কুসুমহাটি ইউনিয়নের অনেক শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। ঘরমুখো গরিব পরিবারগুলি খাদ্যসঙ্কটে পড়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারেননি  দোহার বাস্তা এলাকার মহি উদ্দিন মহি মাদবর। তিনি ত্রাণ নিয়ে কর্মহীন শ্রমজীবিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
তার নিজস্ব অর্থায়নে  দোহার ও নবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল বাস্তা সহ কুসুম হাটি ইউনিয়নের অন্যান্য গ্রামের অসংখ্য পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন তিনি। খোঁজ নিয়ে  জানা যায় এসময় তিনি প্রায় ৩ হাজার পরিবারে মধ্যে চাউল, ডাল, তেল লবন, আলু পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি পেশায়  মানবাধিকারকর্মী, নিজেকে গোপন রাখতে পছন্দ করেন। তিনি বলেন কর্মহীন পরিবহন ও কৃষি শ্রমিক.  আমাদের সমাজের অংশ। তাদের কষ্ট মেনে নেওয়া যায় না। এই পরিস্থিতিতে অসহায় দরিদ্রদের পাশে  আমাদের সবাইকে এগিয়ে  আসতে হবে৷ তাদের সাহস জোগাতে হবে।
অন্যদিকে তার এমন উদ্যোগে অনেক অসহায় মানুষের মুখে দেখা গেছে হাসির ছোঁয়া। তাদের দাবি বলছেন, এমন দুর্যোগ সময়ে মহি ভাই  পাশে দাঁড়ানোর কারনে কর্মহীনদের অনেকটাই উপকার হয়েছে। এভাবে যদি সবাই সবাই পাশে থাকেন তাহলে কাউকে খাবারের কষ্ট করতে হবে না৷ মহি ভাইয়ের মত এমন প্রার্থী যদি আমাদের এই কুসুমহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হয় তাহ‌লে জনগণের ও এলাকার উন্নয়ন হবে। কেননা তিনি একজন পরীক্ষিত কর্মী। 

সংবাদটি শেয়ার করুন


Sunday, July 5, 2020

নবাবগঞ্জ উপজেলার বালেংগা তে দুর্বিত্তদের হামলা -একই পরিবারের দুজন গুরুতর আহত।

নবাবগঞ্জ উপজেলার বালেংগা তে দুর্বিত্তদের হামলা -একই পরিবারের দুজন গুরুতর আহত।

বাংলার সংবাদঃ
শনিবার সকাল ১০:৩০ মিঃ এ নবাবগঞ্জ থানার বালেংগা গ্রামে দুর্ধর্ষ হামলা ও লুটতরাজ এর শিকার হয়েছে দুই সহোদর সেখ সফি উদ্দিন (৩৭) ও শেখ আরবালি(৩০)।
পূর্ব শক্রতার জের ধরে একই গ্রামের ৮ নং ইউপি সদস্য রমিজ মেম্বার ও তার ভাই রজ্জবের নেতৃত্বে রনি,মিজান, মিন্টু ও দেলদুয়ার ও অজ্ঞাত পরিচয়ের ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী দেশী অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে শফি উদ্দিন ও আরবালি কে মারাত্মক আহত করে এবং ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে আলমারি -সু কেছ ভাংচুর করে প্রায় ১১ লক্ষ টাকার স্বর্ন ও নগদ টাকা লুটতরাজ করে নিয়ে যায়। এমনটিই জানিয়েছেন আহত ও তার পরিবার বৃন্দ।
আহত শফি উদ্দিন ও তার ভাই আরবালি মুমুর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায় ভিক্টিমস এর বাড়ির বড় ভাই আছর উদ্দিন ও ৯ বছরের শিশু,নারী ও ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ আলা উদ্দিন কেও আহত করে তবে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ই অবস্থান করছে।
এলাকাবাসী আমাদের গণমাধ্যম কর্মীদের জানান -আজ সকাল অনুমানিক সারে দশ টার দিকে(৪ জুলাই ২০২০) হঠাৎ করে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখ আলা উদ্দিন বাড়িতে হামলা করে তাদের পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে ও ঘর দরজা ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে। তবে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের বিষয়টি তারা সঠিক বলতে পারেন না বলে জানান।
ভুক্তভোগী রা আরও জানান "-আমরা ছিলাম দোহারের বাহ্রা গ্রামের বসতি। পদ্মা ভাংগনের কবলে পড়ে নবাবগঞ্জ থানার বালেংগা গ্রামে জমি কিনে বছর কয়েক ধরে পরিবার নিয়ে এখানে বসবাস শুরু করি। শুরু থেকেই জয়কৃষ্টপুর ইউনিয়ন এর ৮ নং ইউপি সদস্য রমিজ মেম্বার ও তার ক্যাডার বাহিনী আমাদের কাছে চাদা দাবী করতো,তাদের কথা না শুনলে এ এলাকায় থাকতে দিবেনা বলে প্রায় সময়ই হুমকি দামকি দিতো। আমরা ওখানকার নতুন বসতি আমাদের বংশধর  গ্যাতি গুষ্টির কেউ এখন আমাদের সাথে নেই, তাই আমাদের সবসময় স্থানীয় এ চাদাবাজ -সন্ত্রাসীরা অতি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতো ও হর কথায় আতংকের মধ্যে রাখতো এবং গাংভাংগনি ও রিফুজি বলে ঠাট্রা বিদ্রুপ করতো। আজ বাড়ি  চড়াও করে আমাদের পরিবারের সবাইকে মেরে মাথা ফাটিয়ে ফুলা ফাপা জখম করে, আমরা নয়া বাড়ি ইউনিয়ন এর আওয়ামী লীগের সভাপতি বিল্লাল ডাঃ কে সাহায্যের জন্য ফোন দিলে তিনি পুলিশ কে জানান এবং অবশেষে দোহারের চরমাহমুদ পুরের পুলিশ ফারির ইনচার্জ এস আই শাহ আলম এসে তার সংগীয় ফোর্সের সহায়তায় আমাদের উদ্ধার করে,পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
আমরা এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও লুটতরাজের ন্যায় বিচার চাই"
এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এর মুঠোফোন ব্যস্ত থাকায় কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার মৃত্যুঞ্জয়ী কীর্তুনিয়া জয় এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান -বিষয়টি শুনেছি উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।