Sunday, July 5, 2020

নবাবগঞ্জ উপজেলার বালেংগা তে দুর্বিত্তদের হামলা -একই পরিবারের দুজন গুরুতর আহত।

বাংলার সংবাদঃ
শনিবার সকাল ১০:৩০ মিঃ এ নবাবগঞ্জ থানার বালেংগা গ্রামে দুর্ধর্ষ হামলা ও লুটতরাজ এর শিকার হয়েছে দুই সহোদর সেখ সফি উদ্দিন (৩৭) ও শেখ আরবালি(৩০)।
পূর্ব শক্রতার জের ধরে একই গ্রামের ৮ নং ইউপি সদস্য রমিজ মেম্বার ও তার ভাই রজ্জবের নেতৃত্বে রনি,মিজান, মিন্টু ও দেলদুয়ার ও অজ্ঞাত পরিচয়ের ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী দেশী অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে শফি উদ্দিন ও আরবালি কে মারাত্মক আহত করে এবং ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে আলমারি -সু কেছ ভাংচুর করে প্রায় ১১ লক্ষ টাকার স্বর্ন ও নগদ টাকা লুটতরাজ করে নিয়ে যায়। এমনটিই জানিয়েছেন আহত ও তার পরিবার বৃন্দ।
আহত শফি উদ্দিন ও তার ভাই আরবালি মুমুর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায় ভিক্টিমস এর বাড়ির বড় ভাই আছর উদ্দিন ও ৯ বছরের শিশু,নারী ও ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ আলা উদ্দিন কেও আহত করে তবে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ই অবস্থান করছে।
এলাকাবাসী আমাদের গণমাধ্যম কর্মীদের জানান -আজ সকাল অনুমানিক সারে দশ টার দিকে(৪ জুলাই ২০২০) হঠাৎ করে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখ আলা উদ্দিন বাড়িতে হামলা করে তাদের পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে ও ঘর দরজা ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে। তবে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের বিষয়টি তারা সঠিক বলতে পারেন না বলে জানান।
ভুক্তভোগী রা আরও জানান "-আমরা ছিলাম দোহারের বাহ্রা গ্রামের বসতি। পদ্মা ভাংগনের কবলে পড়ে নবাবগঞ্জ থানার বালেংগা গ্রামে জমি কিনে বছর কয়েক ধরে পরিবার নিয়ে এখানে বসবাস শুরু করি। শুরু থেকেই জয়কৃষ্টপুর ইউনিয়ন এর ৮ নং ইউপি সদস্য রমিজ মেম্বার ও তার ক্যাডার বাহিনী আমাদের কাছে চাদা দাবী করতো,তাদের কথা না শুনলে এ এলাকায় থাকতে দিবেনা বলে প্রায় সময়ই হুমকি দামকি দিতো। আমরা ওখানকার নতুন বসতি আমাদের বংশধর  গ্যাতি গুষ্টির কেউ এখন আমাদের সাথে নেই, তাই আমাদের সবসময় স্থানীয় এ চাদাবাজ -সন্ত্রাসীরা অতি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতো ও হর কথায় আতংকের মধ্যে রাখতো এবং গাংভাংগনি ও রিফুজি বলে ঠাট্রা বিদ্রুপ করতো। আজ বাড়ি  চড়াও করে আমাদের পরিবারের সবাইকে মেরে মাথা ফাটিয়ে ফুলা ফাপা জখম করে, আমরা নয়া বাড়ি ইউনিয়ন এর আওয়ামী লীগের সভাপতি বিল্লাল ডাঃ কে সাহায্যের জন্য ফোন দিলে তিনি পুলিশ কে জানান এবং অবশেষে দোহারের চরমাহমুদ পুরের পুলিশ ফারির ইনচার্জ এস আই শাহ আলম এসে তার সংগীয় ফোর্সের সহায়তায় আমাদের উদ্ধার করে,পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
আমরা এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও লুটতরাজের ন্যায় বিচার চাই"
এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এর মুঠোফোন ব্যস্ত থাকায় কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার মৃত্যুঞ্জয়ী কীর্তুনিয়া জয় এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান -বিষয়টি শুনেছি উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: