দোহারে স 'মিলের মালিক আঃ আলি কে জরুরী তলব - ইউএনও 'র
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা দোহার উপজেলা উত্তর লটাখোলা কবরস্থান সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় মেসার্স আব্দুল আলী স মিলের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেন । এখানে প্রায় ১০/২০ টন ভারী কাঠ চেরাই করা হয় । এধরনের বিশাল গাছ সরবরাহ করা হয় চট্রগ্রাম বন্দর হতে ।
সম্প্রতি করোনা ভাইরাস ক্লান্তিকাল সময় অতিবাহিত হচ্ছেন । এর প্রভাব সারা পৃথিবী জুড়ে লকডাউন চলছেন । বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয় । কিন্তু অবাক করার বিষয় যে এ সময়ে কোনো ভিভিআইপি ব্যক্তিরাও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তা বের হচ্ছেন না । অথচ সেখানে চট্রগ্রাম জেলা থেকে বিশাল বিশাল গাছ ভর্তি ট্রাক কিংবা লড়ি নিয়ে দোহারে প্রবেশ করেন অসাধু ব্যবসায়ীরা । এমনকি লড়ি ট্রাকের সাথে ৭/৮ জন বহিরাগত প্রবেশ করছেন অবাধে , মানছেন না কোভিড -১৯ করোনা ভাইরাস এর কোনো সতর্কতা।
গত শুক্রবার এই বিষয় নিয়ে গ্রামবাসী সকলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেন । তাদের দাবি অতি দ্রুত আবাসিক এলাকা হতে স মিলটি অপসারণ করতে হবে । এই স মিলের কারণে গ্রামের প্রতিটি পাকা-আধাপাকা বাড়ি ফাটল ধরেছে বলে দাবি করেন গ্রামবাসী ।
বিশেষ করে মসজিদে এ-নূর মুসল্লিদের ইবাদতের সমস্যা হয় বলে জানান মসজিদের ইমাম । যখন বিশাল আকৃতির বড় গাছ আন-লোড করেন তখন মাটি বিশাল কম্পন সৃষ্টি হয় । ফলে হঠাৎই আতকে উঠেন মুসল্লিগণ । স 'মিলের মালিক মানছেন না কোনো নিরাপত্তা সতর্কতা আইন। যে কাজে ক্রেন ব্যবহার আবশ্যক সেখানে ম্যানুয়াল কাজ চালিয়ে মিল শ্রমিকদের জীবন ফেলে দিচ্ছেন অত্যন্ত ঝুকির মধ্যে।
গ্রামবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করে মেসার্স আব্দুল আলী স মিলের মালিককে জরুরি তলব করেন । ততক্ষন প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ।
সম্প্রতি করোনা ভাইরাস ক্লান্তিকাল সময় অতিবাহিত হচ্ছেন । এর প্রভাব সারা পৃথিবী জুড়ে লকডাউন চলছেন । বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয় । কিন্তু অবাক করার বিষয় যে এ সময়ে কোনো ভিভিআইপি ব্যক্তিরাও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তা বের হচ্ছেন না । অথচ সেখানে চট্রগ্রাম জেলা থেকে বিশাল বিশাল গাছ ভর্তি ট্রাক কিংবা লড়ি নিয়ে দোহারে প্রবেশ করেন অসাধু ব্যবসায়ীরা । এমনকি লড়ি ট্রাকের সাথে ৭/৮ জন বহিরাগত প্রবেশ করছেন অবাধে , মানছেন না কোভিড -১৯ করোনা ভাইরাস এর কোনো সতর্কতা।
গত শুক্রবার এই বিষয় নিয়ে গ্রামবাসী সকলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেন । তাদের দাবি অতি দ্রুত আবাসিক এলাকা হতে স মিলটি অপসারণ করতে হবে । এই স মিলের কারণে গ্রামের প্রতিটি পাকা-আধাপাকা বাড়ি ফাটল ধরেছে বলে দাবি করেন গ্রামবাসী ।
বিশেষ করে মসজিদে এ-নূর মুসল্লিদের ইবাদতের সমস্যা হয় বলে জানান মসজিদের ইমাম । যখন বিশাল আকৃতির বড় গাছ আন-লোড করেন তখন মাটি বিশাল কম্পন সৃষ্টি হয় । ফলে হঠাৎই আতকে উঠেন মুসল্লিগণ । স 'মিলের মালিক মানছেন না কোনো নিরাপত্তা সতর্কতা আইন। যে কাজে ক্রেন ব্যবহার আবশ্যক সেখানে ম্যানুয়াল কাজ চালিয়ে মিল শ্রমিকদের জীবন ফেলে দিচ্ছেন অত্যন্ত ঝুকির মধ্যে।
গ্রামবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করে মেসার্স আব্দুল আলী স মিলের মালিককে জরুরি তলব করেন । ততক্ষন প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ।

0 coment rios: