Sunday, December 20, 2020

সাংবাদিক দের ছত্র ছায়ায় সেলিম এক লম্পট নারী লোভি পিচাশ


 এই কুলাঙ্গার নাম সেলিম দেওয়ান পিতা: কুদ্দুস দেওয়ান। ঢাকার দোহার উপজেলার চরকুশাই তার বাড়ি। সেলিম দেওয়ান সাংবাদিকের বাহারী তকমা লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায় লোকের ভুলক্রটি আর অপরাধ ধরে নিউজ করে দেবে বলে ভয় দেখায় আর টাকা কামায়। সে ফেইসবুকে বিভিন্ন মিডিয়ার লোগো লাগিয়ে ছবি প্রকাশ করে লোকের চোখে ধুলো দিয়ে নিজেকে জাতীয় সাংবাদিকের পরিচয় দিয়ে সবাইকে ঠকিয়ে বেড়াচ্ছে তার এলাকায়।


অধুনায় এই সেলিম কাকলি বেগম নামের আরেক ভূয়া মহিলা সাংবাদিকের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে এবং কাকলির স্বামী তাদের দুই জনের এই অবৈধ সম্পর্কের বিরুদ্ধে কিছু না করতে পেরে প্রায় বছরখানেক ধরেই নিরুদ্দেশ রয়েছেন। তবে তিনি তার ১৩ বছরের আদরের মেয়ে তানিয়া( ছদ্মনাম)  যথাসাধ্য খোঁজখবর রাখেন এবং  এলাকায় আসেন না লজ্জা ও সেলিমের ভয়ে।


সেলিম কাকলির এই পরকিয়া প্রেমের ঘটনাটি প্রকাশ পায় ঠিক তখন যখন কাকলি বেগম ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তার এই অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাটি সে চেপে রেখেই চলছিলো এতো দিন কিন্তু অকস্মাৎ তাকে দেখে সন্দেহ করে বাড়ির মহিলারা। একপর্যায়ে প্রমানিত‌ও হয় যে কাকলি বেগম ছয় মাসের প্র্যাগনেন্ট। কাকলি বেগমের মতে এটা তার স্বামীরই সন্তান।


বিষয়টি এলাকা ও আত্মীয়  স্বজনের মধ্যে তুমুল ভাবে নাড়া দেয় এবং তারা ফোনের মাধ্যমে কাকলি বেগমের স্বামীর সাথে যোগাযোগ করে তাকে জানালে ঘটনাটি শোনার পর তার তো আকাশ থেকে পরার মতো অবস্থা হয়ে যায়! কাকলি বেগমের স্বামীর দাবি যে গত প্রায় বছরখানেক যাবৎ তার স্ত্রীর সাথে সেলিমের পরকিয়া সংক্রান্ত কারনে তুমুল ঝগড়াঝাঁটি চলছে এবং এই কারণেই তাদের মধ্যে কোন শারীরিক সম্পর্ক‌ও নেই বছরখানেক যাযৎ। অত‌এব কাকলির গর্ভের সন্তান কোনোভাবেই তার হতে পারে না।


এদিকে সেলিম ও কাকলি তাদের এই পাপ অস্বীকার ও চাপা দিয়ে ঘটনার মোড় অন্যদিকে ঘোরাতে করে আরেক জঘন্যতম অপরাধ।


সেলিম দেওয়ান ও কাকলি বেগমের মধ্যে কোনো নাজায়েজ সম্পর্ক নেই বরং মা-সন্তানের সম্পর্ক রয়েছে এইটাই প্রমাণের উদ্দেশ্যে তারা দুজনে মিলে আদালতে গিয়ে উকিল ধরে কাকলি বেগমের নিজের নাবালিকা মেয়ে তানজিলার সাথে আইনকে অবমাননা ও ফাঁকি দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সেলিম দেওয়ান (৩২) এর সাথে তানিয়ার ১৩ বছরের অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়েটির কোর্ট-ম্যারিজের জাল কাগজপত্র বানিয়ে আনে এবং এলাকায় তা প্রকাশ করে সবাইকে বোকা বানানোর ব্যবস্থা করে। এদিকে তানিয়া বলে যে এই বিয়ে সম্পর্কে সে কিছুই জানে না কিন্তু তানিয়া তার মায়ের নজরবন্দি থাকার কারণে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া রয়েছে এখনো।


এছাড়াও সেলিম দেওয়ানের ভয়ে তানিয়ার গরীব আত্মিয় স্বজন তথা চাচারা কোথাও মুখ খোলার সাহস পাচ্ছে না এবং কাকলি বেগমের বাড়ির আশেপাশেও কেউ যায় না শুধু ভয়ে।

উল্লেখ থাকে যে বছর চারি আগে এই ভূয়া সাংবাদিক ও কথিত মানবাধিকার পরিচয় কর্মী সেলিম দেওয়ান এর বাবা কুদ্দুস দেওয়ান ও নয় বছরের একটি শিশু মেয়ে কে ধর্ষণ করে মামলার আসামি হয়। অতঃপর সেলিম এর আরেক চাচা আওয়ামী নেতা মজিবর দেওয়ান এর বিশেষ সহায়তায় থানা ও মামলার আইও মাহমুদুল কে  বিপুল অংকের টাকা পয়সা দিয়ে এবং মামলার বাদীনি গরীব ও অসহায় হওয়ায় তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা উঠাতে বাধ্য করে এদেশ থেকে বাদীনি কে তারিয়ে এ চেপ্টার ক্লজ করে আবার নতুন ভাবে সাফ শুদ্রা হয়ে সমাজপতি বনে যায়। - চলবে -


‘জাতির বিবেক সাংবাদিক’ সেই সাংবাদিকের পরিচয় দিয়ে ভয় দেখিয়ে এহেন কাজ দেখে এলাকাবাসী হতাশ। তাদের প্রশ্ন দেশে কি আইনের শাসন বলে কিচ্ছু নেই? কি লাভ তবে থানা পুলিশ থেকে? বর্তমানের সাংবাদিক মানে কি তবে সন্ত্রাসী!?


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: