Saturday, October 31, 2020

নবাবগঞ্জের চালনাইতে পল্লী ক্যাফের উদ্ভোধন

নবাবগঞ্জের চালনাইতে পল্লী ক্যাফের উদ্ভোধন


 ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় পল্লীবাড়ি ক্যাফে নামে একটি মিনি চাইনিজ কফি হাউজ উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার চালনাই এলাকায় ফিতা কেটে এই ক্যাফেটি উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু। এসময় তিনি বলেন, বেশ পরিপাটি ও গ্রামীণ পরিবেশ থাকায় ক্যাফেটি সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর। তবে অবশ্যই আমি এই ক্যাফেটির কতৃপক্ষ কে অনুরোধ করবো, আপনারা একটা  স্লোগানকে মাথায় রেখে কাজ করবেন, সেটা হলো নো মাস্ক, নো সার্ভিস। সেই সাথে আমি ক্যাফেটিরে উত্তর উত্তর সাফল্য কামনা করছি।

ক্যাফেটির প্রোপাইটর আহসান শিকদার বাংলার সংবাদ কে জানান দোহার-নাবাবগঞ্জে বিনোদন কেন্দ্র বা চাইনিজ রেস্টুরেন্ট অনেক রয়েছে। কিন্তু খোলা মেলা পরিবেশে তৃপ্তির সাথে খাবার খাওয়ার ক্যাফের সংখ্যা খুবই কম। তাই মনোরম পরিবেশকে কেন্দ্র করে আমরা এই ছোট্ট আয়োজন করেছি। আশা করছি আগত কাস্টমারদের চাহিদা অনুযায়ী পরিপূর্ণ সেবা দিয়ে ইনশা-আল্লাহ আমরা তাদের মন জয় করতে পারবো।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন এর ঢাকা জেলা দক্ষিণের সহ সভাপতি আব্দুল মালেক দোহারি এবং  আরো  বিশেষ অতিথি হিসেবে  ছিলেন, মানবাধিকার কর্মী বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন এর ঢাকা জেলার দক্ষিনাঞ্চলের জেনারেল সেক্রেটারি মানবতাবাদী  হাজী নাছির উদ্দিন পল্লব এবং   নবাবগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাবির হোসেন খান পাভেল, এছাড়া বান্দুরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুল ইসলাম সহ অনেকে।

Wednesday, October 28, 2020

একজন হাজী সেলিম: জমি দখলই নেশা তার

একজন হাজী সেলিম: জমি দখলই নেশা তার


হোল্ডিং নম্বর ৫৬/৩/বি রাজ নারায়ণ ধর রোড। লালবাগের তিনতলা এ বাড়িটির মালিক মো. আজিম উদ্দিন ও তার আট ভাইবোন। এ বাড়ির পাশেই রয়েছে হাজী সেলিমের ছোট্ট একটু জমি। ওই জমিতে ভবন করতে গিয়ে তার নজর পড়ে পাশের তিনতলা ভবনের ওপর। জমিটি কব্জা করতে নানা কৌশল এঁটে আর হুমকি-ধমকি দিয়েও ব্যর্থ হন তিনি। এরই মধ্যে আজিম উদ্দিন যখন পবিত্র হজব্রত পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব যান, তখন সুযোগ বুঝে তাদের তিনতলা ভবনটি ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেন হাজী সেলিম; ভবনের জমি নিয়ে নেন নিজ দখলে। এর পর গত ৯ বছর ধরে নানাভাবে চেষ্টা করেও জমিটি ফেরত পাননি আজিম উদ্দিন।

শুধু আজিম উদ্দিনই নন, এমন অন্তত ত্রিশজন ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা হয়েছে এ প্রতিবেদকের যাদের জমি নানাভাবে কব্জা করেছেন ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী সেলিম। দু-একজন তাদের পরিচয় জানালেও অধিকাংশ ভুক্তভোগীই তাদের নাম-ধাম গোপন রাখতে বদ্ধপরিকর। পাছে হাজী সেলিমের কাছে এ সংবাদ চলে যায়, এটিই তাদের উদ্বেগের কারণ।

ভুক্তভোগী এসব মানুষ জানান, অন্তত দেড় শতাধিক বাড়ি, প্লট ও মার্কেট দখল করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এই সাংসদ। রাজধানীর জুরাইন মৌজাতেও অনেকের জায়গা জবরদখল করে দেয়াল তুলে দিয়েছেন। তার ব্যাপক প্রতাপের কারণে ভুক্তভোগীরা কিছু বলতে পারছেন না। সেখানে প্লট বানিয়ে বিক্রি করছেন তিনি।

জমি, বাড়ি ও প্লট দখলের বিস্তর অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে হাজী সেলিমের মোবাইল ফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। চকবাজারের বাসায় গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

১৯৯৬ সালের আগে তিনি ছিলেন চকবাজার এলাকার বিএনপি সমর্থিত ওয়ার্ড কমিশনার। ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চান তিনি। না পেয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান। এর পর নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভও করেন। এর পরই লালবাগ, চকবাজার ও হাজারীবাগ এলাকায় গড়ে তোলেন তার একচ্ছত্র আধিপত্য।

শুরুতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা হাজী সেলিমের বিরোধিত করলেও দিন-দিন তার প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়তে থাকায় একপর্যায়ে তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে যান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাজী সেলিম কমিশনার থাকা অবস্থায় বিভিন্ন ঘাট ও বাজার ইজারায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করলেও জমি দখল শুরু করেন মূলত সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকেই। তার আসনের আওতাধীন প্রতিটি ওয়ার্ডেই তিনি গড়ে তোলেন নিজস্ব বাহিনী অভিযোগ রয়েছে, সোয়ারিঘাট, চকবাজার এলাকার প্রতিটি মার্কেট থেকে মাসোহারা আদায়ে রয়েছে হাজী সেলিমের পৃথক একটি গ্রুপ। ট্রাকে ও লরিতে পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রেও দৈনিক ভিত্তিতে টাকা গুনতে হয় ব্যবসায়ীদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ১৯৯৬ সালের পর লালবাগ ও চকবাজার এলাকার মধ্যে যেখানেই খালি জমি পেয়েছেন, সেখানেই হাত পড়েছে হাজী সেলিমের। এ নিয়ে মুখ খুলতেও সাহস পায়নি কেউ। পুরান ঢাকার অনেক সম্ভ্রান্ত পরিবার হাজী সেলিমের নির্যাতনে পিষ্ট, যারা তাদের সম্মান নষ্ট হওয়ার ভয়ে ওই এলাকাই ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

আমাদের সময়ের সঙ্গে ত্রিশজনেরও বেশি ভুক্তভোগীর কথা হয়। তারা কেন নাম প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছেন- এমন প্রশ্নে বলছেন, হাজী সেলিম এখন আইনি বলয়ে আটকে পড়লেও এ বিপদ সাময়িক। এক সময় তার এ বিপদ কেটে যাবে। তখন তিনি কাউকেই ছাড়বেন না। অতীতেও এমন দেখা গেছে যে, যারা তার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাদের কাউকেই তিনি ছাড়েননি। তাই সম্পদ যা গেছে যাক, নতুন করে বিপদ ডেকে আনতে চাইছেন না তারা।

ধারণা করা হয়, ১৮৭০ সালে ঢাকার প্রথম বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে নির্মিত হয় জাহাজ বাড়ি। ভবনটির মালিক ১৯২০ সালে বদু হাজির নামে এ সম্পত্তি ওয়াকফ করে দিয়ে যান। তার মৃত্যুর পর তার বড় সন্তান ফেকু হাজি ভবনটির দায়িত্বে ছিলেন। ফেকু হাজির মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে হাজি আবদুল হক ভবনটির তত্ত্বাবধান করেন। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে পরিচিত এ ভবনটি ভাঙার বিষয়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু গত বছর ঈদের আগের দিন হাজী আবদুল হক ওরফে হক সাহেব ওমরা করতে সৌদি আরব গেলে রাতের বেলা ভবনটি গুঁড়িয়ে দেন হাজী সেলিমের লোকজন।

জানা গেছে, সেখানে একটি বহুতল মার্কেট করতে ইচ্ছুক হাজী সেলিম। বিষয়টি নিয়ে হাজি১ আবদুল হকের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে ওই ভবনটি থাকাকালে সেখানে ব্যবসা করা মোসলেহউদ্দিন বলেন, কোনো রকমের আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে হাজী সেলিমের লোকজন ভবনটি ভেঙে ফেলেন।

কেবল জাহাজ বাড়ি ভেঙেই ক্ষান্ত হননি হাজী সেলিম। ভবনটির পার্শ্ববর্তী ৬নং হোল্ডিং থেকে ৪২২নং হোল্ডিং পর্যন্ত যারা মালিক কিংবা পজিশন কিনেছেন, তারা এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি বরাবর একটি চিঠি দিয়েছেন। বাংলাদেশ মনিহারি বণিক সমিতির প্যাডে দেওয়া ওই চিঠিতে বলা হয়, জাহাজ বাড়ির পরিত্যক্ত স্থানে মদিনা বিল্ডার্স নামের একটি ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি নির্মাণকাজ শুরু করতে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, মদিনা বিল্ডার্সের মালিক হাজী সেলিম।

গত বছর থেকে এ মার্কেটের নির্মাণকাজ আরম্ভ করার পর থেকে নানা ধরনের হুমকি আসছে। মদিনা বিল্ডার্সের লোকজন বিভিন্নভাবে দোকানদারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। মার্কেট সমিতির বেশ কয়েকজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আশপাশের পুরান ভবনগুলোর দোকানদারদের দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। আমরা দক্ষিণ সিটির মেয়র ও এফবিসিসিআই বরাবর চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে অবগত করেছি। তারা বলেন, আগেও দেখা গেছে যে জমিতেই মদিনা বিল্ডার্সের মালিক হাজী সেলিমের চোখ পড়েছে, সেই জমিই তিনি ছলে-বলে-কৌশলে হস্তগত করেছেন। তাই তারা ভীষণ ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে আছেন।

পুরান ঢাকার মৌলভীবাজার এলাকায় ১৪ শতাংশ জমির ওপর একটি দোতলা ভবন ছিল অগ্রণী ব্যাংকের। স্বাধীনতার পর নির্মিত ভবনটি অনেক পুরান হওয়ায় কিছুদিন আগে নতুন ভবনে শাখা স্থানান্তর করা হয়। এর পরই ভবনটির জমিতে নজর পড়ে হাজী সেলিমের।

ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর ব্যাংকের শাখাট

Thursday, October 15, 2020

গ্রেপ্তারের পরের দিন গলায় ফাস দিয়ে নবাবগঞ্জ থানায় আসামির আত্মহত্যা

গ্রেপ্তারের পরের দিন গলায় ফাস দিয়ে নবাবগঞ্জ থানায় আসামির আত্মহত্যা


 গ্রেফতারের পরদিন ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা হাজতে ‘গলায় ফাঁস দিয়ে’ মামুন মিয়া (৩১) নামে এক আসামি ‘আত্মহত্যা’ করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে তদন্তের পর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নবাবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, রোববার সকালে উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের দেওতলা খ্রিস্টান পল্লী থেকে উদ্ধার হয় অজ্ঞাত এক নারীর লাশ। পরে ওই নারীর পরিচয় মিলে। তার নাম রাজিয়া সুলতানা (৩০)। তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানা লস্করপুর গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী।

স্থানীয় ও নিহত রাজিয়ার স্বজনদের দাবি, ভাড়ায় অটোরিকশা চালানো মামুন মিয়া রাজিয়াকে হত্যা করে লাশ গুম করতে অন্য স্থানে ফেলে আসে। সোমবার ওই নারীর স্বজন ও এলাকাবাসী বিষয়টি আঁচ করতে পেরে মামুনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে শ্রীনগর থানায় সোপর্দ করে। মঙ্গলবার সকালে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে আসামিকে হস্তান্তর করে।

পুলিশ আরও জানায়, দুপুরে নবাবগঞ্জ থানায় জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে খুনের কথা স্বীকার করেন মামুন। এরপর থানা পুলিশ তাকে আদালতে পাঠাতে প্রস্তুতি নেয়। এর ফাঁকে আসামি মামুন তার পরিহিত লুঙ্গি দিয়ে হাজতখানার ভেতর টয়লেটের জানালার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকে।

বিষয়টি নবাবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে ঢাকা জেলা অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার, নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করে।

উল্লেখ্য, নারীর লাশ উদ্ধারের পর রোববার রাতে নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়।

Monday, October 12, 2020

সেই ধর্ষিতা ছাত্রীর শারীরিক সম্পর্কের প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি !

সেই ধর্ষিতা ছাত্রীর শারীরিক সম্পর্কের প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি !


ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ এনে নুরুল হক নুর ও হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ছাত্রীর করা ধর্ষণ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে।


প্রতিবেদনে কমিটি জানায়, প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের মতো কোন ঘটনা ঘটেছে কি না সে বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের তদন্ত কমিটি তথ্য প্রমাণ পায়নি।


এমনকি অভিযোগকারীও এ বিষয়ে কমিটির কাছে কোন তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। আজ রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. বিন ইয়ামীন মোল্লা ও সদস্য তারেক রহমান ও রাজিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগকারীকে (ছাত্রী) বিভিন্ন মিডিয়ায় ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মী বলে প্রচার করা হচ্ছে।


এছাড়া সাংগঠনিক পরিচয়ের মাধ্যমে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা বলা হচ্ছে। আদতে অভিযোগকারী ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মী নন। কখনো তিনি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।


অভিযোগকারী এজাহারে হাসান আল মামুনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেও হাসান আল মামুন সেটি অস্বীকার করেছেন। তবে একই বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে হাসান আল মামুনের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল বলে জানিয়েছেন।


সেখানে আরো বলা হয়, অভিযোগকারী এজাহারে গত ২৪ জুন নুরুল হক নুরের সঙ্গে বিষয়টি মীমাংসার জন্য নীলক্ষেত দেখা করার কথা উল্লেখ করলেও অভিযোগকারীর সঙ্গে নুরের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি।


তবে আনুমানিক মাস তিনেক আগে অভিযোগকারী একবার নুরুল হক নুরের কাছে ফোন করে ঢাকায় এসে দেখা করবেন বলে জানালেও আর দেখা করেননি।

Sunday, October 11, 2020

দোহারে ধর্ষণের বিরুদ্ধে মানবাধিকার কমিশন -BHRC ঢাকা জেলা দঃ আঞ্চলিক শাখার মানব বন্ধন

দোহারে ধর্ষণের বিরুদ্ধে মানবাধিকার কমিশন -BHRC ঢাকা জেলা দঃ আঞ্চলিক শাখার মানব বন্ধন


 দেশব্যাপী ধর্ষণ, নারী ও শিশুদের প্রতি নৃশংসতা এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবং সকল ধর্ষকদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে ঢাকার দোহারে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন -BHRC ঢাকা জেলা দক্ষিণ আঞ্চলিক শাখা।

রবিবার (১১ অক্টোরব) উপজেলার রতন চত্ত্বরে এ উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা করা হয়।

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ঢাকা জেলা দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন পল্লবের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ ইন্তাজি, সহ -সভাপতি সামাদ মাদবর, সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন মাদবর, সহ-সভাপতি আব্দুল মালেক দোহারি, যুগ্ম সম্পাদক রাহিম কমিশনার, যুগ্ম সম্পাদক শেখ সোহেল রানা, আরিফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ খন্দকার, দপ্তর সম্পাদক  মুক্তিযোদ্ধা শাহ আল ফারুক, নির্বাহী সদস্য  আমির তালুকদার, মোফাজ্জল খান, রনি,মোক্তার বয়াতি, বায়েজিদ বেপারী, মিলন, মোতালেব,  জন গোমেজ সহ আরো অনেকে ।

Friday, October 2, 2020

চলতি মাসে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়

চলতি মাসে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়


স্টাফ রিপোর্টার : চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।অক্টোবর মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ পূর্বাভাস দেয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভা আগারগাঁওয়ের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকালে অনুষ্ঠিত হয়। তার ভিত্তিতেই এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

মৌসুমী বায়ু প্রবাহকে বর্ষা বলা হয়। এ বায়ু প্রবাহের আগমনে বাংলায় শুরু হয় বৃষ্টি। বর্ষা ঋতু বিদায় নিলেও মৌসুমী বায়ু থেকে যাওয়ায় পরের ঋতুতেও বৃষ্টি হয়। যেমন এখন শরৎকালেও বৃষ্টি হচ্ছে। তবে এ মৌসুমী বায়ু চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে বিদায় নেবে। এর মধ্য দিয়ে চলতি মৌসুমে বিদায় ঘটবে বর্ষার।

অক্টোবরের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অক্টোবর মাসে দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কিছুটা বেশি বৃষ্টি হতে পারে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবাহ (বর্ষা) বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেবে। এ মাসে দেশের প্রধান নদনদীতে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজ থাকতে পারে।